খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৭ ভাদ্র, ১৪৩৩

শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম আর নেই

যোগফল প্রতিবেদক: 

শিশুসাহিত্যিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আমীরুল ইসলাম আর নেই। চার দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর।

তার মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বড় ভাই কামাল আহমেদ বাচ্চু। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার আমীরুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে।

আমীরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। কয়েকদিন আগে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে গত রোববার রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আমীরুল ইসলাম। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যমের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

১৯৬৪ সালের ৭ এপ্রিল ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন আমীরুল ইসলাম। শিশুসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৬ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।

এ ছাড়া তিনি সিকান্দার আবু জাফর সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৪), নুরুল কাদের শিশুসাহিত্য পুরস্কার (২০০৩), পদক্ষেপ সাহিত্য পুরস্কার (২০০৫), ছোটদের পত্রিকা পুরস্কার (২০০৭), ছোটদের মেলা পুরস্কার (২০০৯-১০), জাতীয় ছড়া উৎসব সম্মাননা (২০১১), শামসুর রাহমান সাহিত্য পুরস্কার (২০১১) এবং অন্নদাশঙ্কর সাহিত্য পুরস্কার (২০১২)সহ বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

আমীরুল ইসলামের প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা দুই শতাধিক। শিশুদের জন্য গল্প, ছড়া ও বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল লেখা লিখেছেন তিনি। তার মৃত্যুতে শিশুসাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা চার দিনে তুলেছেন ১,৪৩১ কোটি টাকা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা চার দিনে তুলেছেন ১,৪৩১ কোটি টাকা

যোগফল প্রতিবেদক:

পাঁচ ব্যাংক একীভূত হয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা গত চার দিনে ১ হাজার ৪৩১ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন। এ সময়ে ৩৬ হাজারের বেশি গ্রাহক ব্যাংকটির বিভিন্ন শাখা থেকে টাকা তুলেছেন বলে জানিয়েছেন ব্যাংকটির এক কর্মকর্তা।

সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চার দিনে এসব টাকা উত্তোলন করা হয়। ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রাহকরা টাকা উত্তোলনের জন্য যতটা আগ্রহ দেখিয়েছেন, আবেদনের তুলনায় প্রকৃত উত্তোলনের পরিমাণ তার চেয়ে কম।

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনের তুলনায় দ্বিতীয় দিনে ৭৭ কোটি টাকা বেশি উত্তোলন করেন গ্রাহকরা। তৃতীয় দিনেও দ্বিতীয় দিনের চেয়ে বেশি টাকা উত্তোলন করা হয়। তবে তৃতীয় দিনের তুলনায় চতুর্থ দিনে উত্তোলনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে।

এদিকে, অনেক গ্রাহক টাকা উত্তোলনের পাশাপাশি ব্যাংকে নতুন করে অর্থ জমাও রাখছেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। তাদের ভাষ্য, গত চার দিনে টাকা উত্তোলনের জন্য বিভিন্ন শাখায় আসা গ্রাহকদের কেউ পুরো আমানত তুলে নিয়েছেন, আবার কেউ টাকা উত্তোলনের পর তা পুনরায় ব্যাংকেই জমা রেখেছেন।

গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আমানতের টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। এরপর ৭ সেপ্টেম্বর থেকে গ্রাহকদের টাকা দেওয়া শুরু করা হয়েছে। এখনো আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের আমানত ফেরত দেওয়া এবং ব্যাংকটির তারল্য সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে ৫ হাজার কোটি টাকা বিশেষ ঋণ দিয়েছে।

একীভূত পাঁচ ব্যাংকের মোট শাখা রয়েছে ৭৬১টি। টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য এসব ব্যাংকের গ্রাহকদের কাছ থেকে মোট ৭৪ হাজার ২২১টি আবেদন জমা পড়েছে। এসব আবেদনের বিপরীতে মোট ৩ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি রয়েছে।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক একীভূত হয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠিত হয়েছে। ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ফুচকার আড্ডায় হাসাহাসি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৬

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ফুচকার আড্ডায় হাসাহাসি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৬

যোগফল প্রতিবেদক: 

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ফুচকার দোকানে আড্ডা দেওয়ার সময় উচ্চস্বরে হাসাহাসিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছুরিকাঘাত ও মারধরে অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা শিশুপার্ক চত্বরে একটি ফুচকার দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত দুজন হলেন—পৌরসভার দক্ষিণ কামারগ্রামের সেলিম শেখের ছেলে ঋত্বিক শেখ (২১) এবং একই এলাকার মনিরুল ইসলামের ছেলে কাকন আহমেদ (২০)। আহত অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ঋত্বিকের পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাত এবং কাকনের মাথায় আঘাত লেগেছে। রাতে তাদের দুজনকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও সকালে তারা ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি চলে যান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা শিশুপার্কের সামনে আলাদা দুটি ফুচকা ও চটপটির দোকানে দুই পক্ষের কয়েকজন আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় এক পক্ষ উচ্চস্বরে হাসাহাসি করলে অপর পক্ষ তাদের এভাবে হাসাহাসি করতে নিষেধ করে। এ নিয়ে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।

একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির পর দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় ঋত্বিকের পেটে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে ছয়জন আহত হন বলে স্থানীয়রা জানান।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা ঋত্বিক ও কাকনকে পর্যবেক্ষণে রাখেন।

জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. তমাল কৃষ্ণ জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছিল। সকালে তারা ছাড়পত্র নিয়ে চলে যান।

বোয়ালমারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজিব আহমেদ বলেন, ফুচকা খাওয়ার সময় হাসাহাসিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে তর্কাতর্কি এবং পরে মারামারি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। কোনো পক্ষ এখনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পদ্মা ব্যারেজ হলে ৭ কোটি মানুষ উপকৃত হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পদ্মা ব্যারেজ হলে ৭ কোটি মানুষ উপকৃত হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী

যোগফল প্রতিবেদক:

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ হলে শুধু রাজবাড়ী নয়, দেশের ২৪ জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ এর সুফল পাবেন। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি কৃষি, নৌযোগাযোগ ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর কে রাজ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে তিনি হাবাসপুরে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, হাবাসপুরের নদী একসময় অনেক দূরে ছিল। ভাঙতে ভাঙতে এখন নদীটি মানুষের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। বর্ষায় নদীর পানির প্রবাহে ভাঙন ও প্লাবন হয়, আবার শুষ্ক মৌসুমে দেখা দেয় পানির সংকট। বছরের পর বছর এ অঞ্চলের মানুষ এ দুই ধরনের ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।

তিনি বলেন, শুধু রাজবাড়ীর মানুষ নয়, উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৪ জেলার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পানির সমস্যা ও নদীভাঙনের ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এ পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের পাশাপাশি নদী-নালা ও খাল-বিলের পানির প্রবাহ বাড়ানোর উদ্যোগ প্রয়োজন।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘আমরা পানির ন্যায্য হিস্যা তুলবই, আদায় করব। গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবে। নতুন চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ অন্তর্ভুক্ত করে বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা ও অধিকার আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি পানি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কারিগরি সমীক্ষা ও ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা তৈরি হয়েছে।

তার দাবি, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে এবং সাত বছরে এর কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে আরও প্রায় ১৫ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, ‘এটি শুধু রাজবাড়ীর প্রকল্প নয়, ২৪টি জেলার মানুষের উপকারের জন্য একটি বড় প্রকল্প। আমি এটাকে বাংলাদেশের একটি মাস্টারমাইন্ড প্রজেক্ট মনে করি।’

পদ্মা ব্যারেজে নেভিগেশন লক ও একাধিক গেট থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী পানি সংরক্ষণ ও সরবরাহের ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি প্রকল্পের মাধ্যমে দুই ধাপে ১১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে এ অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও জোরদার হবে।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন, বন্যা ও শুষ্ক মৌসুমের পানির সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নৌযোগাযোগ ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তিনি বলেন, ‘প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করা কঠিন। পদ্মার পাড়ের মানুষ বছরের পর বছর প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে আছেন। পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ হলে আপনাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও দাবি বাস্তবায়নের পথ তৈরি হবে।’

পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা চেয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের কাজ শুরু হলে সাময়িকভাবে মানুষের কিছুটা কষ্ট হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এ প্রকল্প এ অঞ্চলের মানুষের জীবন ও অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আনবে।

এ্যানি আরও বলেন, সারাদেশে খাল খননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সহযোগিতায় আগামী দিনে পদ্মা ব্যারেজকে দৃশ্যমান করা হবে। এ প্রকল্পের মধ্য দিয়ে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।

জনসভায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম